google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: গাজা অভিমুখী নৌযানে শহিদুল আলম
আজ রোববার গাজায় পৌঁছানোর কথা থাকলেও যাত্রায় আরও বিলম্ব হবে বলে জানিয়েছেন আলোকচিত্রী ও দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল আলম। এ নিয়ে তাঁর অবস্থান ও গন্তব্য নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠলে তিনি নিজেই ফেসবুকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন।
বাংলাদেশ সময় দুপুর সাড়ে ১২টার পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে শহিদুল আলম লিখেছেন, তাঁর যাত্রাপথ ‘‘ফরেনসিক আর্কিটেকচার’’ নামের একটি সাইটের মাধ্যমে ট্র্যাক করা হচ্ছে। এ প্রতিষ্ঠান পূর্বে আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের ওপর একটি তদন্তমূলক ফিল্ম তৈরিতে তাঁর সঙ্গে কাজ করেছে। বর্তমানে তারা কনশানস ও থাউজেন্ড ম্যাডলিনস—উভয় নৌবহরের যাত্রাপথ নজরে রাখছে।
তিনি জানান, গাজায় পৌঁছানো সম্পূর্ণ নির্ভর করছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) প্রতিক্রিয়ার ওপর। আটক, ফেরত পাঠানো কিংবা কারাবন্দী হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলেও সতর্ক করেন শহিদুল। তাঁর ভাষায়, “কখন, কোথায় কী ঘটতে পারে, তা আগে থেকে বোঝা অসম্ভব। এটা আমাদের হাতে নেই।”
এ পরিস্থিতিতে জনগণের সহায়তার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “যদি সাধারণ মানুষ এমন চাপ তৈরি করতে পারে, যা আমাদের গাজায় পৌঁছাতে সহায়তা করবে, সেটিই হবে সর্বোত্তম ফলাফল। একসঙ্গে প্রতিরোধ করতে হবে। এটি অধিকার ও ন্যায়বিচারের জন্য একটি আন্দোলন।”
আজ সকালে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছ থেকে পাওয়া শুভেচ্ছা বার্তাও পোস্টে উল্লেখ করেছেন তিনি।
শহিদুল আলম বর্তমানে গাজা অভিমুখী আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন (এফএফসি) এবং থাউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজা (টিএমটিজি)–এর যৌথ নৌবহরের কনশানস জাহাজে আছেন। এফএফসি বৈশ্বিক উদ্যোগ ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র আয়োজক জোটগুলোর একটি, যার লক্ষ্য ইসরায়েলের অবরোধ ভেঙে গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানো। তবে এ বহরে কোনো খাদ্যসহায়তা নেই।