google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: বুয়েটে ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার, শিক্ষার্থীদের স্থায়ী শাস্তির দাবি
এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দাবিতে উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। মঙ্গলবার রাত ৯টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। তাঁদের দাবির মুখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে এবং তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়।
রাতে বুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক (ডিএসডব্লিউ) অধ্যাপক এ কে এম মাসুদ বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত শিক্ষার্থী শ্রীশান্ত রায়, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে।
তবে এ ঘোষণা শোনার পর উপস্থিত শিক্ষার্থীরা স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানিয়ে প্রতিবাদ জানান। উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা “না, না” বলে প্রতিক্রিয়া দেখান এবং দ্রুত কঠোর শাস্তি দাবি করেন।
এ সময় অধ্যাপক মাসুদ বলেন,
“স্থায়ীভাবে ছাত্রত্ব বাতিল করার ক্ষমতা আমার নেই। আমি উপাচার্যের নির্দেশক্রমে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছি। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তাঁর নামে মামলা করার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যেই মামলা দায়ের ও গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তিনি আরও জানান,
“যদিও সাধারণত ভুক্তভোগী বা শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়, তবে শিক্ষার্থীদের অনুভূতি বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেই মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
বুয়েটের ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী শ্রীশান্ত রায়ের বিরুদ্ধে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর থেকেই ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানান।