google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ সহজ নয়, সতর্ক করলেন তারেক রহমান
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচন যত সহজ ভাবা হচ্ছে, বাস্তবে তা হবে না। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে বিভাগীয় সাংগঠনিক ইউনিটগুলোর হাজারের বেশি নেতা অংশ নেন।
তারেক রহমান বলেন, এক বছর আগে তিনি যে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন, তা এখন সত্য প্রমাণিত হচ্ছে। এখনো দল সিরিয়াস না হলে দেশের অস্তিত্ব ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়তে পারে। গণতন্ত্রই এ পরিস্থিতি থেকে দেশকে রক্ষা করতে পারে এবং সেই ভিত্তি শক্তিশালী করতে হবে বিএনপির নেতা-কর্মীদের।
তিনি নেতা-কর্মীদের মানুষের দোরগোড়ায় গিয়ে বিএনপির পরিকল্পনা তুলে ধরার আহ্বান জানান। তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দলীয় সরকার হবে না; যারা ভোট দিয়েছে বা দেয়নি—সবার জন্য সমানভাবে কাজ করবে। কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য কাজ করার সুযোগ থাকবে না।
বিএনপি শুধু স্বপ্ন দেখাচ্ছে না, বরং স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় খুব বেশি বাকি নেই। ধানের শীষ যার হাতে দেওয়া হয়েছে, তার পাশে থাকতে হবে। প্রার্থী পরিবর্তন হতে পারে, তবে দল ও আদর্শ অটুট থাকবে।
অন্য রাজনৈতিক দলগুলো মিথ্যা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, বিএনপির মিথ্যা বলার প্রয়োজন নেই। বাস্তবমুখী যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তা জনগণের কাছে পৌঁছালেই যথেষ্ট। এই কাজ কঠিন হলেও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তা সম্ভব।
মসজিদে গিয়ে কিছু ব্যক্তি প্রচারণা চালাচ্ছেন—এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারা যদি বলতে পারে, বিএনপি নেতা-কর্মীরা কেন পারবেন না? নিয়ম যদি থাকে যে বলবে না, তবে তা সব পক্ষের জন্যই সমানভাবে প্রযোজ্য হতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সঞ্চালক ছিলেন যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম খান বাবুল, উপদেষ্টা মাহদী আমিন, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমিনুল হকসহ অন্যান্য নেতারা।
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কর্মসংস্থানসহ আটটি বিষয়ে কীভাবে কাজ করবে—এ নিয়ে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণে ধারাবাহিক কর্মশালা চলবে আগামী ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এরপর নির্ধারিত এক দিনে সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।