google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: ‘সংস্কারের পক্ষে আমরা, বিপক্ষে যারা তারা দূরে সরে গেছেন’ — হাসনাত আবদুল্লাহ
সংস্কার ইস্যুতে বাংলাদেশ এখন দুটি পক্ষে বিভক্ত বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘একটি পক্ষ সংস্কারের পক্ষে এবং অন্যটি এর বিপক্ষে। সংস্কারের পক্ষে যাঁরা আছেন, তাঁরা আমাদের কাছাকাছি। আর যারা বিপক্ষে, তারা সংস্কারের পক্ষ থেকে দূরে সরে গেছেন।’
আজ শনিবার দুপুরে বরগুনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এনসিপির এক সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন হাসনাত আবদুল্লাহ।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের জুলাই সনদ নিয়ে বিএনপির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা বারবার বলেছিলাম, জুলাই সনদে সই করার আগে সেটি দেখতে হবে। তাঁরা না দেখে কেন সই করলেন? আমরা তো অবিবেচকের মতো সই করিনি। আমরা আগেই বলেছিলাম, কে জুলাই সনদ ঘোষণা করবেন, সেটি স্পষ্ট করতে হবে এবং সেটি অর্ডার আকারে জারি করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সংস্কার পিছিয়ে দিতে চাই, এমন অভিযোগও উঠেছিল। কিন্তু আমরা সব সময় বলেছি, জুলাই সনদ এবং এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া জাতির সামনে আনতে হবে। তারপরই আমরা স্বাক্ষর করব।’
নির্বাচনে শাপলা প্রতীক বরাদ্দ না পাওয়ার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে হাসনাত বলেন, ‘কোন নীতিমালার ভিত্তিতে শাপলা প্রতীক অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, তা ব্যাখ্যা করা হয়নি। নির্বাচন কমিশন যেভাবে প্রতীক বরাদ্দ দিচ্ছে, তা একধরনের গোঁয়ার্তুমি। নির্বাচন কমিশনের গঠনে ও সিদ্ধান্তে অনেক পক্ষের প্রভাব আছে।’
তিনি বলেন, ‘সংস্কার ও শাপলা নিয়ে আমাদের অবস্থান অপরিবর্তিত। আমরা আইনগতভাবে জানতে চাই, শাপলা প্রতীক কেন বরাদ্দ দেওয়া হবে না। কিন্তু নির্বাচন কমিশন বলেছে, এর ব্যাখ্যা দেওয়া হবে না। এটা তো জনগণের টাকায় চলা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান—তাহলে জবাবদিহি করবে না কেন?’
বিএনপির সঙ্গে জোট হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিএনপির সঙ্গে জোট হচ্ছে কি না, সেটা আমার জানা নেই। তবে ৫ আগস্টের পর সংস্কারের পক্ষে যারা অবস্থান নিয়েছেন, আমরা তাঁদের সঙ্গেই থাকব।’