google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: গাজা অভিমুখী সাংবাদিক-চিকিৎসকবাহী জাহাজ আটকাল ইসরায়েল, জাহাজে আছেন শহিদুল আলম
গাজা অভিমুখী সাংবাদিক, চিকিৎসক ও মানবাধিকারকর্মীদের বহনকারী নৌবহরকে মাঝসমুদ্রে আটকে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন (এফএফসি) নিশ্চিত করেছে, বুধবার সামরিক বাহিনীর সদস্যরা দ্য কনশেনস নামের জাহাজটির দখল নেয়।
ওই জাহাজে রয়েছেন ৯৩ জন সাংবাদিক, চিকিৎসক ও অধিকারকর্মী। তাঁদের মধ্যে আছেন বাংলাদেশের খ্যাতিমান আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। এর আগে আরও তিনটি ছোট নৌযান আটকে দেওয়া হয়।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক্সে দেওয়া পোস্টে জানায়, ফ্রিডম ফ্লোটিলার নৌবহরে অভিযান চালানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের দাবি, বৈধ নৌ অবরোধ ভাঙার এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। আটক নৌযানগুলো একটি ইসরায়েলি বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং যাত্রীদের নিরাপদে রাখা হয়েছে। তাঁদের দ্রুত ফেরত পাঠানো হবে বলেও জানানো হয়েছে।
তবে ফেসবুকে দেওয়া ভিডিও বার্তায় দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল আলম বলেন, তাঁদের জাহাজটি আটকে দিয়ে তিনি ও অন্যরা “অপহরণের শিকার” হয়েছেন।
দ্য কনশেনস জাহাজটি ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন (এফএফসি) ও থাউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজা (টিএমটিজি) উদ্যোগের অংশ হিসেবে গাজা অভিমুখে রওনা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক সাংবাদিক ও চিকিৎসাকর্মীদের এই যাত্রার উদ্দেশ্য ছিল ইসরায়েলের অবৈধ অবরোধ ভাঙা এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
এর আগে শহিদুল আলম জানিয়েছিলেন, তাঁদের নৌযান রেড জোনে পৌঁছাতে পারে—যেখানে গত সপ্তাহে ইসরায়েলি সেনারা সুমুদ ফ্লোটিলা নৌবহর আটকে দিয়ে বেশ কয়েকজন অধিকারকর্মীকে আটক করেছিল।