google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: যুক্তরাষ্ট্র ও মালয়েশিয়ার মধ্যে নতুন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা চুক্তি
কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত ৪৭তম আসিয়ান সম্মেলনে ইতিহাস গড়ে নতুন এক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা চুক্তি সই করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও মালয়েশিয়া।
রবিবার কুয়ালালামপুর কনভেনশন সেন্টারের মর্যাদাপূর্ণ অঙ্গনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হওয়া এই চুক্তি দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও গভীর করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর আওতায় অর্ধপরিবাহী শিল্প, প্রযুক্তি বিনিয়োগ, নিরাপত্তা সহযোগিতা ও টেকসই জ্বালানি খাতে অংশীদারত্ব জোরদার হবে।
এর আগে একই স্থানে আনোয়ার ইব্রাহিম ও ট্রাম্প যৌথভাবে থাইল্যান্ড–কাম্বোডিয়া শান্তি চুক্তি (কেএল পিস অ্যাকর্ড)-এ সাক্ষর করেন, যা আসিয়ান অঞ্চলের কূটনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মালয়েশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের দূত এডগার্ড ডি. কাগান জানান, ট্রাম্পের সফরকে ঘিরে বাণিজ্য শুল্ক, সরবরাহ শৃঙ্খল, বিনিয়োগ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছিল। তাঁর মতে, মালয়েশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি কৌশলগত অংশীদার, বিশেষ করে পশ্চিমা সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত আমেরিকান কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগের কারণে।
১৯৫৭ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকে দুই দেশ ২০১৪ সালে সম্পর্ককে সমন্বিত অংশীদারত্বে উন্নীত করে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র মালয়েশিয়ার অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য অংশীদার ও বিনিয়োগকারী দেশ। ২০২৪ সালে দুই দেশের মোট বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩২৪ দশমিক ৯১ বিলিয়ন রিঙ্গিত (৭১ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
বৈঠক শেষে দুই নেতা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্থিতিশীলতা, ন্যায্য বাণিজ্য ও প্রযুক্তি সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।