google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ঢাকা | , ১২ মাঘ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি, একই দিনে গণভোট—তফসিল ঘোষণা করলেন সিইসি

Jashore Now
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Dec 11, 2025 ইং
ছবির ক্যাপশন: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি, একই দিনে গণভোট—তফসিল ঘোষণা করলেন সিইসি ছবির ক্যাপশন: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি, একই দিনে গণভোট—তফসিল ঘোষণা করলেন সিইসি
ad728

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটও আয়োজন করা হবে। সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহণ চলবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে নির্বাচন তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ২৯ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের শেষ দিন ১১ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১২–১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি, আর ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু হয়ে চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত।

এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৬ লাখের বেশি। প্রবাসী বাংলাদেশিদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে, যেখানে তিন লাখের বেশি প্রবাসী ইতোমধ্যে নিবন্ধন করেছেন।

গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়। ১৬ মাস পর জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করল ইসি। এ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে আয়োজনের ঘোষণা গত ১৩ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টা দিয়েছিলেন।

এখন ইসিতে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল রয়েছে ৫৬টি। তবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকায় আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত রয়েছে। ফলে এ দল নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। নিবন্ধিত অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।

এ এম এম নাসির উদ্দীনের নেতৃত্বে গঠিত নতুন নির্বাচন কমিশনের অধীনে এটি প্রথম জাতীয় নির্বাচন। একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নেওয়াকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে কমিশন। সময় ব্যবস্থাপনার কারণে এবার ভোট গ্রহণের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে এবং গোপন কক্ষের সংখ্যাও বাড়ানো হবে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণকেও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার ও ইসি। তফসিল ঘোষণার পর সশস্ত্র বাহিনীসহ সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করবে। প্রায় ৯ লাখ সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়া হবে, যা এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ। সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনায় দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : Jashore Now

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ