google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ঢাকা | , ১২ মাঘ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীকে র‍্যাগিং ও মারধরের অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন

Jashore Now
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 24, 2025 ইং
ছবির ক্যাপশন: বেগম-রোকেয়া-বিশ্ববিদ্যালয়ে-নবীন-শিক্ষার্থীকে-র‍্যাগিং-ও-মারধরের-অভিযোগ,-তদন্ত-কমিটি-গঠন ছবির ক্যাপশন: বেগম-রোকেয়া-বিশ্ববিদ্যালয়ে-নবীন-শিক্ষার্থীকে-র‍্যাগিং-ও-মারধরের-অভিযোগ,-তদন্ত-কমিটি-গঠন
ad728

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের এক নবীন শিক্ষার্থীকে র‍্যাগিং ও মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল রোববার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় ২৪ হলের ছাদে এ ঘটনা ঘটে।

আজ সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে আগামীকাল মঙ্গলবারের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিজয় ২৪ হলের প্রাধ্যক্ষ আমির শরীফ।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী দ্বীন ইসলাম বাংলা বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তিনি একই বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মামুন।

বিজয় ২৪ হলের শিক্ষার্থী কামরুল হাসান জানান, গতকাল রাত ১১টার দিকে হলের ছাদে কান্নার শব্দ শুনে তিনি এবং অন্য কয়েকজন ছুটে যান। সেখানে গিয়ে তাঁরা দেখতে পান, দ্বীন ইসলাম কান ধরে কাঁদছিলেন।

১৭তম ব্যাচের এক প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী জানান, সন্ধ্যায় ১৬তম ব্যাচের কয়েকজন সিনিয়র তাঁদের ব্যাডমিন্টন মাঠে ডাকেন। পরে তাঁদের ছাদে নিয়ে গিয়ে বকাঝকা করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে প্রায় ১১–১২ জন সিনিয়র উপস্থিত ছিলেন। দ্বীন ইসলামকে চড় মারা হয় বলেও দাবি করেন তিনি।

এরই মধ্যে ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দ্বীন ইসলামকে বলতে শোনা যায়, সিনিয়র মামুন ভাই তাঁর কানে আঘাত করেছেন এবং তাঁর কানের পর্দা ফেটে গেছে বলে দাবি করেন তিনি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, বিষয়টি ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। পিকনিক নিয়ে কথাবার্তার সময় রাগ হলেও কোনো শারীরিক আঘাত করা হয়নি।

র‍্যাগিং ও মারধরের অভিযোগ যাচাই করতে যে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে, তার আহ্বায়ক করা হয়েছে সহকারী প্রাধ্যক্ষ এ টি এম জিন্নাতুল বাসারকে। সদস্য হিসেবে থাকছেন সহকারী প্রাধ্যক্ষ সাইফুদ্দিন খালেদ ও সহকারী প্রক্টর ফয়সাল-ই-আজম। তাঁরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবেন।

প্রাধ্যক্ষ আমির শরীফ জানান, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : Jashore Now

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ