বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফেরার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য বাধার ইঙ্গিত দেওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে এর কোনো সীমাবদ্ধতা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
আজ শনিবার বিকেলে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “এ ব্যাপারে সরকারের তরফ থেকে কোনো বিধিনিষেধ বা আপত্তি নেই।”
ওয়ান–ইলেভেনের পর ২০০৮ সালে কারাগার থেকে বেরিয়ে যুক্তরাজ্যে গিয়ে আর দেশে ফেরেননি তারেক রহমান। সেখান থেকেই দলের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন তিনি। গত বছর অভ্যুত্থানের পর তাঁর বিরুদ্ধে থাকা বিভিন্ন মামলার সাজা বাতিল হওয়ায় দেশে ফেরার আলোচনা আবার জোরালো হয়। বিএনপি নেতারা বলছেন, তিনি শিগগিরই ফিরবেন, তবে সুনির্দিষ্ট সময় জানাচ্ছেন না।
এদিকে খালেদা জিয়ার গুরুতর অসুস্থতার কারণে গতকাল থেকে তারেক রহমানের দ্রুত দেশে ফেরার জোর গুঞ্জন ছড়ায়। তবে আজ সকাল পৌনে ৯টার দিকে লন্ডন থেকে নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি লেখেন, “এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ–স্পর্শ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রবল, কিন্তু দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত আমার একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “বিষয়টি স্পর্শকাতর, তাই বিস্তারিত বলার সুযোগ নেই। রাজনৈতিক বাস্তবতা অনুকূলে আসলেই আমার দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে।”
প্রেস সচিব শফিকুল আলম তাঁর পোস্টে আরও জানান, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর জন্য দেশবাসীর দোয়া চেয়েছেন।