google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: যে-৫-কারণে-ভাইরাল-‘দূরবীন-বাংলা’-রেস্তোরাঁ
ফেসবুক এখন সরগরম ঢাকার মহাখালীর এক রেস্তোরাঁ নিয়ে—‘দূরবীন বাংলা’। ডাক্তারের চেম্বারের মতো ওয়েটিং জোনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা, কেউ বানাচ্ছেন রিল, কেউ দিচ্ছেন রিভিউ—সব মিলিয়ে এখন এটি রাজধানীর নতুন ট্রেন্ড।
তাহলে কী কারণে এত ভাইরাল এই রেস্তোরাঁ? জেনে নিন ৫টি বিশেষ কারণ।
‘দূরবীন বাংলা’-র খাবারে পাওয়া যায় পুরোপুরি বাড়ির রান্নার আবহ। মসলা, তেল ও ঝালের ব্যবহার হয় পরিমিতভাবে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পরিবার বা অফিসগামীদের ভিড়ে সরগরম থাকে রেস্তোরাঁটি। ম্যানেজার দেবাশীষ বিশ্বাস বলেন, “সব ধরনের মানুষ যাতে দেশীয় খাবারের স্বাদ পায়, তাই দামও সাধ্যের মধ্যে রাখা হয়েছে।”
রেস্তোরাঁয় ঢুকলেই চোখে পড়ে বাঁশের বেঞ্চ, ঝুলন্ত কেটলি, বাঁশের ল্যাম্পশেড আর নরম আলো–আঁধারির মনোরম পরিবেশ। আগের নিটল টাটা পার্কিং জোনটি এখন বাঙালি সংস্কৃতির অনন্য প্রতিচ্ছবি—একদিকে আধুনিকতা, অন্যদিকে ঐতিহ্যের ছোঁয়া।
১,০০০ টাকায় দুজনের খাবার, ১৪০ টাকায় সকালের নাশতা বা ২৩০ টাকায় পোলাও–মাংস—এই দামই রেস্তোরাঁটিকে জনপ্রিয় করেছে আরও বেশি। মানসম্মত খাবার, সুলভ দাম—এই দুটি বিষয়ই ‘দূরবীন বাংলা’-কে করেছে ব্যতিক্রমী।
সকালের নাশতায় মাখন চিকেন স্যুপ, ঘি মালাই সুজি, সবজি গুলিস্তান আর নরম–গরম মগজ—এসব আইটেমের জন্যই রেস্তোরাঁর ব্রেকফাস্ট এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়। এখানকার প্রতিটি পদে ব্যবহার হয় খাঁটি গাওয়া ঘি। প্রতি বেলায় মেলে গরম গরম রসগোল্লাও, যা তৈরি হয় এখানকার নিজস্ব ময়রাদের হাতে।
উদ্যোক্তা সাফিন বেগ বলেন, “দূরবীন দিয়ে যেমন দূরের জিনিস কাছে দেখা যায়, তেমনি আমরা ভুলে যাওয়া বাংলা খাবারের স্বাদকে আবার কাছে আনতে চেয়েছি।” তাঁর স্বপ্ন—বাংলা খাবারকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, যেমন ‘আড়ং’ করেছে দেশীয় পণ্যের ক্ষেত্রে।