আগামী বছরের অস্ট্রেলিয়া সফরে বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে নতুন টেস্ট ভেন্যু পেতে যাচ্ছে কুইন্সল্যান্ডের ম্যাকাই শহর। এই ভেন্যু হতে পারে অস্ট্রেলিয়ার ১২তম টেস্ট ভেন্যু, যেখানে গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনা–তে ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। কুইন্সল্যান্ডের প্রিমিয়ার ডেভিড ক্রিসাফুলি ইতিমধ্যেই ঘোষণা দিয়েছেন, অ্যাশেজ-পরবর্তী সিরিজের প্রথম টেস্ট আয়োজনের জন্য ম্যাকাই প্রস্তুত।
২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ায় একবারই খেলা হয়েছে বাংলাদেশের—২০০৩ সালে ডারউইন ও কেয়ার্নসের দুই ম্যাচে। সেবার মেলবোর্ন, সিডনি, অ্যাডিলেডের মতো মূল ভেন্যুগুলোতে খেলেনি বাংলাদেশ। ওই সিরিজ দিয়েই অষ্টম ও নবম টেস্ট ভেন্যু হিসেবে অভিষেক হয় ডারউইনের মারারা ওভাল ও কেয়ার্নসের বুন্ডাবার্গ রাম স্টেডিয়াম–এর।
২৩ বছর পর বাংলাদেশ দল আবারো অস্ট্রেলিয়া সফরে যাবে। দুই টেস্টের সিরিজে একটি ম্যাচ হতে পারে ম্যাকাই শহরের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফে। তবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও ভেন্যু ঘোষণা করেনি।
উত্তরাঞ্চলের ভেন্যুতে টেস্ট আয়োজনের কারণ হলো এখানে উষ্ণ আবহাওয়া, যা শীতেও ক্রিকেট খেলার সুযোগ দেয়। ডারউইন ও কেয়ার্নসের পাশাপাশি টাউনসভিলকেও বিবেচনা করা হচ্ছে। নর্দান টেরিটরি ক্রিকেট বোর্ডের সিইও গ্যাভিন ডোভি বলেছেন, ডারউইন একটি ম্যাচ পাবে—এ বিষয়ে তিনি সতর্কভাবে আশাবাদী।
অস্ট্রেলিয়ার ২০২৬–২৭ মৌসুমটি কিছুটা অস্বাভাবিক। গ্রীষ্মে মাত্র চারটি টেস্ট নির্ধারিত—নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পার্থ, অ্যাডিলেড, মেলবোর্ন ও সিডনিতে। ২০২৭ সালের মার্চে এমসিজিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৫০তম বার্ষিকী টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে। এর ফলে ব্রিসবেনের গ্যাবা–তে প্রথমবারের মতো কোনো টেস্ট হবে না।
ম্যাকাই ভেন্যুতে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার ২০ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগ করেছে। তৈরি হয়েছে ১০ হাজার আসনের গ্যালারি, সম্প্রচার সুবিধা এবং আধুনিক প্রশিক্ষণকেন্দ্র। চলতি বছরের আগস্টে অস্ট্রেলিয়া দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজ খেলার সময় এই তিনটি ভেন্যুতেই দর্শকরা পরিপূর্ণ উপস্থিতি ছিলেন।