google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: চট্টগ্রাম-বন্দরের-টার্মিনাল-নিয়ে-বিদেশি-প্রতিষ্ঠানের-সঙ্গে-দর–কষাকষি-চলছে:-নৌপরিবহন-উপদেষ্টা
চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শনে গিয়ে নৌপরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনা নিয়ে নেদারল্যান্ডসের প্রতিষ্ঠান এপিএম টার্মিনালসের সঙ্গে আলোচনা (নেগোসিয়েশন) চলছে। তিনি বলেন, “তারা যা চাইছে, আমরা তা মানিনি। প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে বন্দরের কোনো টার্মিনাল কাউকে দেওয়া হবে না।”
সোমবার সকালে নগরের পতেঙ্গায় লালদিয়ার চর কনটেইনার ইয়ার্ড উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব নুরুন্নাহার চৌধুরী, বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরের চারটি টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এর মধ্যে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল একটি, যা পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বর্তমানে সেখানে কোনো অবকাঠামো নেই। বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান নিজস্ব অর্থায়নে টার্মিনাল নির্মাণ করে তা পরিচালনা করবে। পরিচালনার সময় আদায়কৃত মাশুলের কত অংশ বন্দর এবং কত অংশ বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান পাবে, তা নিয়েই এখন দর–কষাকষি চলছে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, “বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে বন্দরের দক্ষতা বাড়াতে হবে। এর জন্য প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ দুটোই জরুরি। দেশে বড় খাতে এখনো পর্যাপ্ত বিনিয়োগ হয়নি, তবে বন্দর সম্প্রসারণ ঘিরে প্রায় চার থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে।”
তিনি লালদিয়া কনটেইনার ইয়ার্ড ছাড়াও বে টার্মিনাল এলাকার পরিবহন টার্মিনাল ও তালতলা কনটেইনার ইয়ার্ড উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি বন্দর এলাকার এক্স ওয়াই শেড ও কাস্টমস অকশন শেড পরিদর্শন করেন।