google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ঢাকা | , ১২ মাঘ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ আগুন, উড়োজাহাজ ওঠানামা বন্ধ

Jashore Now
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 18, 2025 ইং
ছবির ক্যাপশন: শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ আগুন ছবির ক্যাপশন: শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ আগুন
ad728

ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ আগুন লাগার তিন ঘণ্টা পরও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। এ কারণে দেশের প্রধান এই বিমানবন্দরে সব ধরনের উড়োজাহাজ ওঠানামা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে বিমানবন্দরের আমদানি কার্গো কমপ্লেক্সে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আগুন ছড়িয়ে পড়ায় ধীরে ধীরে ১৩টি ফায়ার স্টেশনের ৩৭টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়।

বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকের মুখপাত্র মো. মাসুদুল হাসান মাসুদ জানান, আগুন লাগার পর থেকেই নিরাপত্তার স্বার্থে উড়োজাহাজের ওঠানামা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

সন্ধ্যা ছয়টার সময়ও আগুন জ্বলছিল, আর কার্গো ভিলেজ এলাকা থেকে ঘন ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়। ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরাও আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। এছাড়া দুই প্লাটুন বিজিবিও সেখানে কাজ করছে।

কার্গো ভিলেজটি বিমানবন্দরের পোস্ট অফিস ও হ্যাঙ্গারের মাঝামাঝি স্থানে, ৮ নম্বর গেটের পাশে অবস্থিত। আগুনের সূত্রপাত হয় আমদানি কার্গো কমপ্লেক্সের উত্তর দিকে, ৩ নম্বর গেটের পাশে।

আগুন লাগার সময় ঘটনাস্থলে থাকা ভয়েজার এভিয়েশনের গাড়িচালক মো. রাসেল মোল্লা বলেন, “আমি তখন গাড়িসহ ভেতরে ছিলাম, প্রায় ১০০ মিটারের দূরত্বে আগুন দেখি। সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি সরিয়ে নিই, আর ভেতরে থাকা সবাইকে বেরিয়ে যেতে বলা হয়।”

এই কার্গো ভিলেজে সাধারণত যন্ত্রপাতি, পচনশীল খাদ্যপণ্য ও ইলেকট্রনিকস সামগ্রী রাখা হয়। আগুনের কারণে এসব পণ্যের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

আরএমকে গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুজ্জামান ইবনে আমিন সোহাইল বলেন, “এ ঘটনায় আমাদের মতো বহু আমদানিকারকের বড় ক্ষতি হলো।”

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসার পরই বোঝা যাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং কবে নাগাদ কার্গো ভিলেজ পুনরায় চালু করা যাবে।”

আগুনের কারণে নয়টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ঢাকায় অবতরণ করতে না পেরে বিকল্পভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেটে অবতরণ করেছে। এর মধ্যে আটটি চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এবং একটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমেছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : Jashore Now

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ