google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: ক্রিকেটে সুরের সন্ধান: রশিদ খানের সংগীত দর্শনে দেখা গেল বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতা
আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে ব্যর্থ বাংলাদেশের ব্যাটিং দেখে মনে পড়ে গেল আরেক রশিদ খানের কথা—তবে তিনি ক্রিকেটার নন, প্রয়াত শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী ওস্তাদ রশিদ খান। সংগীতের মায়াবী জগতে তিনি একসময় বলেছিলেন, “ক্রিকেটটা সংগীতের মতোই—একেকটা কাভার ড্রাইভ বা পুল, গানের একেকটা রেশের মতো।”
শচীন টেন্ডুলকারের ভক্ত এই ওস্তাদ ছোটবেলায় স্বপ্ন দেখেছিলেন ক্রিকেটার হওয়ার, কিন্তু পরিবার তাঁকে টেনে আনে সংগীতের সুরমহলে। তাঁর ভাষায়, ক্রিকেট ও সংগীতের মিল অনেক—“একটি গানে যেমন আভোগ, অন্তরা ও স্থায়ী থাকে; ক্রিকেটেও তেমনি শুরু, মাঝখান আর শেষটা ভালো হতে হয়।”
এই দর্শনটিই যেন হুবহু খাপ খায় বাংলাদেশের আফগানিস্তান সিরিজের পারফরম্যান্সে। প্রথম ম্যাচে শুরুটা (আভোগ) ছিল বাজে—মাত্র ২২১ রানে অলআউট হয়ে ৫ উইকেটে হার। অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ আশ্বাস দিয়েছিলেন, “পরের ম্যাচে আমরা ভালো করব।” কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে আবারো ‘অন্তরা’ ভালো হয়নি—১৯১ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে দল অলআউট হয় ১০৯ রানে।
শেষ ম্যাচে মিরাজের প্রতিশ্রুতিও হয়ে গেল সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কবিতার মতো—“দেখিস, একদিন আমরাও…”। কিন্তু সেই “একদিন” এখনও অধরা। বাংলাদেশ ৩–০ ব্যবধানে ধবলধোলাই হয়েছে, ইতিহাসে আফগানিস্তানের কাছে সবচেয়ে বড় ২০০ রানের পরাজয়ও বরণ করেছে।
এখন প্রশ্ন একটাই—বাংলাদেশ ক্রিকেট দল কবে দেবে সেই মধুর ‘স্থায়ী’, যেখানে সুর, ব্যাটিং আর প্রতিশ্রুতি একসাথে মিলবে এক নিখুঁত গানে?