google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ঢাকা | , ১২ মাঘ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তামান্না ভাটিয়ার ওজন কমানো নিয়ে গুঞ্জন: ‘আমি কখনও গ্লোবাল বিউটি স্ট্যান্ডার্ড মানতে চাই না’

Jashore Now
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 11, 2025 ইং
ছবির ক্যাপশন: তামান্না-ভাটিয়ার-ওজন-কমানো-নিয়ে-গুঞ্জন:-‘আমি-কখনও-গ্লোবাল-বিউটি-স্ট্যান্ডার্ড-মানতে-চাই-না’ ছবির ক্যাপশন: তামান্না-ভাটিয়ার-ওজন-কমানো-নিয়ে-গুঞ্জন:-‘আমি-কখনও-গ্লোবাল-বিউটি-স্ট্যান্ডার্ড-মানতে-চাই-না’
ad728

সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া আলোচনায় রয়েছেন তার শারীরিক পরিবর্তন ও নতুন লুক নিয়ে। কেউ তার প্রশংসায় মুগ্ধ, আবার কেউ অভিযোগ তুলেছেন—তিনি নাকি ওজন কমাতে ‘ওজেম্পিক’ (Ozempic) নামের ওষুধ ব্যবহার করেছেন।

ওজেম্পিক আসলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ব্যবহৃত একটি ইনজেকশন, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনেকেই এটি ওজন কমানোর জন্য ব্যবহার করছেন, যা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

এই গুঞ্জনের জবাবে সম্প্রতি হার্পারস বাজার ইন্ডিয়া-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তামান্না নিজেই মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন,

“আমি পনেরো বছর বয়স থেকে ক্যামেরার সামনে কাজ করছি। মানুষ আমাকে বড় হতে দেখেছে, তাই লুকানোর কিছু নেই। বিশের দশকের শেষ পর্যন্ত আমি ছিলাম স্বাভাবিকভাবে পাতলা। এখন যে অবস্থায় আছি, সেটি আমার কাছে নতুন কিছু নয়—এভাবেই আমি বড় হয়েছি।”

তামান্না স্বীকার করেন, কোভিড মহামারির সময় ওজন নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছিল, আর সেই সময়ই হিন্দি দর্শকরা তার ভিন্ন রূপ দেখেছেন। যদিও দক্ষিণ ভারতে তিনি আগেই প্রতিষ্ঠিত ছিলেন, কিন্তু এস এস রাজামৌলির ‘বাহুবলি: দ্য বিগিনিং’ (২০১৫) ছবির পর সারাদেশে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন।

তিনি বলেন,

“হিন্দি দর্শকদের কাছে হয়তো এই শরীর নতুন মনে হচ্ছে, কিন্তু আমি প্রায় ১০০টি সিনেমায় কাজ করেছি। একজন নারীর শরীর বদলায়—প্রতি পাঁচ বছর পর আমরা নিজেদের নতুন সংস্করণ দেখি।”

মহামারির সময় ওজন ধরে রাখা তার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তিনি বলেন,

“কোভিড আমার শরীরে ভয়াবহ প্রভাব ফেলেছিল। আগের মতো ওজন রাখা কঠিন হয়ে গিয়েছিল। আমি খেতে ভালোবাসি—ভাত, রুটি, ডাল ছাড়া আমার চলে না। সব স্বাস্থ্যকর অভ্যাস মেনে চলার পরও ক্যামেরার সামনে ভাবতাম—আমাকে কি খুব মোটা দেখাচ্ছে?”

অভিনেত্রী আরও বলেন,

“ইনফ্লামেশন বাস্তব বিষয়। ত্রিশের কোঠায় এসে আমার শরীরেও পরিবর্তন এসেছে। তবে আমার কার্ভ কোথাও যাচ্ছে না, কারণ আমি সিন্ধি মেয়ে। আমার হিপ ও কোমরের গঠন যেমন, সেটি মুছে ফেলা সম্ভব নয়।”

শেষে তামান্না দৃঢ়ভাবে বলেন,

“আমি কখনও গ্লোবাল বিউটি স্ট্যান্ডার্ড মানতে চাই না। ভারতীয় শরীর যেমন, সেটিই এখন বিশ্বজুড়ে আদর্শ। মানুষ আমাদের কার্ভ ভালোবাসে, এবং সময় এসেছে আমরা সেটিকে গর্বের সঙ্গে গ্রহণ করি।”


নিউজটি পোস্ট করেছেন : Jashore Now

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ