google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ঢাকা | , ১২ মাঘ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ব্রাজিলে পুলিশের ভয়াবহ অভিযান: রিওতে এক রাতে ৬৪ জন নিহত, ড্রোন ছবিতে ধরা পড়ল হত্যাযজ্ঞের ভয়াল চিত্র

Jashore Now
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 1, 2025 ইং
ছবির ক্যাপশন: ব্রাজিলে-পুলিশের-ভয়াবহ-অভিযান:-রিওতে-এক-রাতে-৬৪-জন-নিহত,-ড্রোন-ছবিতে-ধরা-পড়ল-হত্যাযজ্ঞের-ভয়াল-চিত্র ছবির ক্যাপশন: ব্রাজিলে-পুলিশের-ভয়াবহ-অভিযান:-রিওতে-এক-রাতে-৬৪-জন-নিহত,-ড্রোন-ছবিতে-ধরা-পড়ল-হত্যাযজ্ঞের-ভয়াল-চিত্র
ad728

ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো শহরে পুলিশের এক প্রাণঘাতী অভিযানে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৪ জনে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে চালানো এ মাদকবিরোধী অভিযানকে ব্রাজিলের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ পুলিশি অভিযান হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। নিহতদের মরদেহ এখন রিওর মর্গে রাখা হয়েছে।

বুধবার সকালে সূর্য ওঠার পর প্রকাশ পায় হত্যাযজ্ঞের আসল ভয়াবহতা। রয়টার্সের আলোকচিত্রী রিকার্দো মোরায়েস ড্রোনে তোলা ছবিতে দেখান—রাস্তাজুড়ে ছড়িয়ে আছে ডজনখানেক মরদেহ, যেগুলো কোনো যুদ্ধক্ষেত্রে নয়, বরং শহরের ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকার রাস্তায় পড়ে আছে।

কেউ চাদরে ঢাকা, কেউ অর্ধনগ্ন অবস্থায়। মরদেহগুলোর পাশে শোকাহত পরিবার ও হতবাক প্রতিবেশীরা নির্বাক হয়ে তাকিয়ে ছিলেন।


📸 ড্রোনে ধরা ভয়াবহ দৃশ্য

মোরায়েস জানান, “প্রথমে ভেবেছিলাম এটি ছাদের বা রাস্তায় ছায়া। কিন্তু পরে বুঝলাম, এগুলো মরদেহ।”
তিনি সাধারণত ফাভেলা এলাকায় ড্রোন ওড়ান না, কারণ এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক। তবে স্থানীয় কমিউনিটি নেতার অনুমতি নিয়ে ড্রোন উড়িয়ে তিনি ভয়াবহ দৃশ্যগুলো ধারণ করেন।

তার তোলা ছবিতে দেখা যায়—এক রাস্তার এক প্রান্তে শ্রমিকেরা মরদেহ সরাচ্ছেন, অন্য প্রান্তে নতুন মরদেহ পিকআপে করে আনা হচ্ছে।


🕯️ পরিবারগুলোর আর্তনাদ

পেনহা এলাকার বাসিন্দারা সারা রাত ধরে নিখোঁজ স্বজনদের খুঁজে বেড়িয়েছেন।
এক নারী শোকভরা কণ্ঠে চাদর সরিয়ে নিজের স্বজনের মরদেহে চুমু খাচ্ছিলেন।
পরে স্থানীয় অনুসন্ধানী দলগুলো একে একে মরদেহগুলো পিকআপে করে ভিলা ক্রুজেইরো ফাভেলা এলাকায় নিয়ে আসে—যা রিওর পাহাড়ি এলাকার দরিদ্রতম বসতিগুলোর একটি।


🧍‍♂️ পুলিশ ও সরকারের বক্তব্য

রিওর গভর্নর ক্লাউদিও কাস্ত্রো বলেন, নিহতদের মধ্যে চারজন পুলিশ সদস্য ছাড়া বাকিরা সবাই সন্দেহভাজন মাদক কারবারি।
তিনি জানান, এ অভিযান ছিল কয়েক মাসের পরিকল্পিত পদক্ষেপের অংশ, এবং আগে থেকেই অনুমান করা হয়েছিল যে “অনেকে নিহত হতে পারে।”


🧹 হত্যাযজ্ঞের পর পরিস্কার অভিযান

দিনের শেষে মরদেহের সংখ্যা আরও বেড়ে যায়। মোরায়েস বলেন, “দুই দশকের ফটোগ্রাফি জীবনে এত মরদেহ আমি কখনও দেখিনি।”
সন্ধ্যার পর শ্রমিকদের দেখা যায় রাস্তা ধুয়ে পচা গন্ধ দূর করার চেষ্টা করছেন, যেন শহরটি ধীরে ধীরে ভয়াবহ রাতের স্মৃতি মুছে ফেলতে পারে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : Jashore Now

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ