google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ছবির ক্যাপশন: গাজা সফর করলেন মার্কিন সেন্টকম প্রধান ব্র্যাড কুপার, যুদ্ধোত্তর স্থিতিশীলতায় জোর
গাজা সফর করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার। শনিবার তিনি জানান, যুদ্ধোত্তর স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা করতেই এই সফর। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র গাজায় কোনো সেনা মোতায়েন করবে না।
আরব নিউজ ও ডেইলি সাবাহ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুপার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ লিখেছেন, “আমি সদ্য গাজা সফর শেষে ফিরেছি, যেখানে সেন্টকমের নেতৃত্বে একটি ‘সিভিল-মিলিটারি কোঅর্ডিনেশন সেন্টার’ গঠনের বিষয়ে আলোচনা করেছি, যা সংঘাত-পরবর্তী স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।”
প্রাথমিকভাবে প্রায় ২০০ মার্কিন সেনা ইসরায়েলে পৌঁছেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা অনুযায়ী, তারা গাজায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণে সহায়তা করবে।
ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে একটি বহুজাতিক টাস্কফোর্স গঠিত হবে, যেখানে মিশর, কাতার, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সেনারা অংশ নেবে।
এই বছরের আগস্টে ব্র্যাড কুপার সেন্টকমের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেন্টকম মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক কার্যক্রম তদারকি করে।
গত বুধবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ইসরায়েল ও হামাস তাঁর ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপে সম্মত হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে, আটক সব ইসরায়েলি বন্দিকে প্রায় ২,০০০ ফিলিস্তিনি বন্দির বিনিময়ে মুক্তি দেওয়া হবে এবং ধীরে ধীরে গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহার করা হবে।
পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপে হামাসবিহীন নতুন প্রশাসনিক কাঠামো, আরব ও ইসলামি দেশগুলোর সেনা নিয়ে একটি নিরাপত্তা বাহিনী গঠন, এবং হামাসের নিরস্ত্রীকরণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি হামলায় গাজায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৬৭ হাজার ২০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। ফলে অঞ্চলটি কার্যত বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।