google-site-verification=EcdkQf27QgQiUVrz2fa6ZQxgrlewb0syaCf_Ho2k3TU
ঢাকা | , ১২ মাঘ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

২৬ মার্কিন ধনকুবেরের সোয়া দুই কোটি ডলারও মামদানির জয় ঠেকাতে পারেনি

Jashore Now
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 8, 2025 ইং
ছবির ক্যাপশন: ২৬ মার্কিন ধনকুবেরের কোটি ডলারের প্রচারও থামাতে পারেনি জোহরান মামদানির জয় ছবির ক্যাপশন: ২৬ মার্কিন ধনকুবেরের কোটি ডলারের প্রচারও থামাতে পারেনি জোহরান মামদানির জয়
ad728

নিউইয়র্ক নগরের মেয়র নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রগতিশীল নেতা জোহরান মামদানি বিজয়ী হয়েছেন। জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, বিনা মূল্যে গণপরিবহন এবং নগর কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে মুদিদোকান চালানোর মতো জনবান্ধব নীতি প্রচার করে তিনি জনগণের সমর্থন পান।

তাঁর এই উত্থান ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২৬ জন ধনকুবের ও ধনী পরিবার মিলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে ২ কোটি ২০ লাখ ডলার (প্রায় ২৬৮ কোটি টাকা) ব্যয় করেও সফল হতে পারেননি।

বিলিয়নিয়ারদের বিশাল অর্থায়ন

জোহরানের প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ড্রু কুমোর প্রচারে অর্থদাতাদের মধ্যে ছিলেন ব্লুমবার্গ এলপির সহপ্রতিষ্ঠাতা মাইকেল ব্লুমবার্গ, হেজ ফান্ড ম্যানেজার বিল অ্যাকম্যান, এয়ারবিএনবির সহপ্রতিষ্ঠাতা জো গেবিয়া, এবং এসটি লডারের উত্তরাধিকারী লডার পরিবার
ব্লুমবার্গ একাই কুমোর প্রচারের জন্য ৮৩ লাখ ডলার দেন। অ্যাকম্যান ১৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার, এবং লডার পরিবার ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার দান করে।

প্রায় ১ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় হয় শুধুমাত্র ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রাইমারির আগেই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মামদানি দলীয় মনোনয়ন লাভ করেন এবং নির্বাচনে জয়ী হন।

বড় দাতাদের তালিকা

অর্থদাতাদের মধ্যে আরও ছিলেন নেটফ্লিক্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা রিড হেস্টিংস, গণমাধ্যম উদ্যোক্তা ব্যারি ডিলার, ক্যাসিনো ব্যবসায়ী স্টিভ উইন, এবং তেল ব্যবসায়ী জন হেস
ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, জোহরানের বিরোধী প্রচারে দাতাদের মধ্যে জো গেবিয়া (৩০ লাখ ডলার), উইলিয়াম লডার ও পরিবার (২৬ লাখ), ব্যারি ডিলার (৫ লাখ), রিড হেস্টিংস (২.৫ লাখ) এবং অ্যালিস ওয়ালটন (২ লাখ) অনুদান দেন।

মামদানির প্রতিক্রিয়া

এক জনসভায় জোহরান বলেন,

“বিল অ্যাকম্যান ও রোনাল্ড লডারের মতো ধনকুবেরেরা এই নির্বাচনে কোটি কোটি ডলার ঢেলেছেন, কারণ তাঁরা বলেন আমরা অস্তিত্বের হুমকি তৈরি করছি। আমি স্বীকার করছি — তাঁরা ঠিকই বলছেন।”

জয়ের পর সমর্থনের প্রস্তাব

জয়ের পর আশ্চর্যজনকভাবে কিছু ওয়াল স্ট্রিট ব্যক্তিত্ব তাঁকে সমর্থনের প্রস্তাব দিয়েছেন। অ্যাকম্যান এক্স-এ (পূর্বে টুইটার) লিখেছেন,

“এখন আপনার বড় দায়িত্ব। আমি নিউইয়র্ক নগরকে সাহায্য করতে চাই — শুধু বলুন, কীভাবে।”

এমনকি জেপি মরগান চেজের সিইও জেমি ডিমন, যিনি আগে তাঁকে ‘সমাজতান্ত্রিকের চেয়ে বেশি মার্ক্সবাদী’ বলেছিলেন, পরে সিএনএনকে জানান—

“যদি আমি সহযোগিতা ফলপ্রসূ মনে করি, আমি তা চালিয়ে যাব।”

জোহরান মামদানি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি নিউইয়র্ক নগরের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেবেন।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : Jashore Now

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ